16th April, 2021
HOTLINE: 01618-881216
রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার দূরাবস্থাঃ বাজিতপুর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডবাসীর দুর্ভোগ

রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার দূরাবস্থাঃ বাজিতপুর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডবাসীর দুর্ভোগ

রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার দূরাবস্থাঃ বাজিতপুর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডবাসীর দুর্ভোগ

রাস্তাঘাট ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার দূরাবস্থাঃ বাজিতপুর পৌরসভার ৬ নং ওয়ার্ডবাসীর দুর্ভোগ

বাজিতপুর পৌরসভার একটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা ৬ নং ওয়ার্ড তথা ভাগলপুর গ্রাম। এখানে একটি মেডিকেল কলেজ, একটি স্কুল এন্ড কলেজ, একটি বালিকা উচ্ছ বিদ্যালয়, একটি নার্সিং ইনিস্টিটউট সহ প্রচুর শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। রয়েছে বড় ধরনের বেশ কয়েকটি শিল্প প্রতিষ্ঠান। যোগাযোগের ক্ষেত্রেও এ ওয়ার্ডটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পৌরসভার একমাত্র রেল স্টেশনসহ পৌর বাস টার্মিনলটি ৬ নং ওয়ার্ডেই অবস্থিত। এমনকি বাজিতপুর উপজেলার অপর গুরুত্বপূর্ণ রেল স্টেশনটিও (সরারচর রেলস্টেশন) ৬ নং ওয়ার্ডের সাথেই সংযুক্ত।

অথচ বাজিতপুর পৌরসভার সবচেয়ে অবহেলিত এই ৬ নং ওয়ার্ড। গত কয়েক বছরে এই ওয়ার্ডের দৃশ্যমান কোন উন্নতি হয়নি। রাস্তাঘাটের অবস্থা খুবই নাজুক। ৬ নং ওয়ার্ডের মূল রাস্তাটি যা জহুরুল ইসলাম রোড নামে পরিচিত (জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ থেকে পৌর বাস টার্মিনাল পর্যন্ত) তার অবস্থা সবচেয়ে খারাপ। প্রায়ই এই রাস্তায় ছোটখাট বিভিন্ন দূর্ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।

 

৬ নং ওয়ার্ডের পানি ও পয়ো নিষ্কাশন ব্যবস্থা খুবই দূর্বল। একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তাঘাট সহ বসতবাড়ি পানিতে তলিয়ে যায়। ড্রেন উপচে রাস্তার উপর দিয়ে পানি যায়। অত্র এলাকার সড়কবাতির বেশীরভাগই জ্বলে না।

 

এ ব্যাপারে বাজিতপুর রেলওয়ে স্টেশন এলাকার এক ব্যবসায়ী নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “আমরা ট্যাক্স দিই, সেগুলো যায় কোথায়? সরকারী যে বরাদ্ধ আসে সেগুলো যায় কোথায়? গত কয়েক বছরে আমাদের এলাকার কোন উন্নতি হয়নি।“

 

 

১১ জুলাই ২০২০ তারিখে (শনিবার) ভারী বৃষ্টিপাত হলে ৬ নং ওয়ার্ডের বিভিন্ন দুর্ভোগের একের পর এক ছবি ও ভিডিও ফেসবুকে পোস্ট এবং শেয়ার হতে থাকে। এক পর্যায়ে সেগুলো ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে ৬ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর জনাব আলমগীর হোসেনকে ফোন করা হলে তিনি বলেন, “আমি চার বছর আগে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ার পর পৌরসভা থেকে লোকজন এনে ৬ নং ওয়ার্ডের প্রতিটা অলিগিলি মাপজোক করিয়েছি এবং প্রতিটা রাস্তা মেরামত করার জন্য অনুরোধ করেছি। এর পর জহুরুল ইসলাম রোড মেরামতের ব্যাপারে টেন্ডার হয় এবং ২কোটি ৬৫ লক্ষ টাকা বরাদ্ধ হয়। কিন্তু কন্ট্রাক্টরের কাগজপত্রে সমস্যা থাকার কারনে ৩ দফা কাজ পেছানো হয়। আমি এ ব্যাপারে মাননীয় এম.পি. সাহেব ও মেয়র সাহাবের কাছে বার বার গিয়েছি। কিন্তু জানিনা কি অদৃশ্য কারণে এ কাজ হচ্ছে না। ফলে এলাকার মানুষের অনেক জন দূর্ভোগ হচ্ছে।”